পেঁয়াজ লুট শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিরাই উপজেলা ও পৌর যুবলীগের

” দিরাইয়ে মুদি দোকানে হামলা ; লুটের অভিযোগ ” শিরোনামে স্থানীয় নিউজ পোর্টাল কালনী ভিউ’য়ে গতকাল বুধবার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে দিরাই উপজেলা ও পৌর যুবলীগ। গণমাধ্যমকে দেয়া লিখিত বিবৃতিতে যুবলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, নামসর্বস্ব নিউজ পোর্টাল কালনী ভিউয়ে প্রকাশিত সংবাদটি সর্বৈব মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদটিকে সত্যের অপলাপ উল্লেখ করে প্রতিবাদলিপিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় বিএনপির পদবীধারী কতিপয় নেতা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি না পেরুনো নামধারী সংবাদকর্মী কর্তৃক সম্পাদিত নিউজ পোর্টালটিতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। জনবিচ্ছিন্ন দু’একজন নেতার মুখপাত্র হিসেবে তাদের ফরমায়েশ তামিল করাই এই পোর্টাল ও এ-র কর্তৃপক্ষের কাজ, যা দিরাইয়ে সর্বজনবিদিত। নিউজ পোর্টালের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এরা বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এরা সাদাকে কালো আর কালোকে সাদা বলে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকাশিত এ সংবাদে দিরাই পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দিরাই বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়াকে জড়িয়ে তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্নের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ মহলের নির্দেশে এ-ই ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত খবরের সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। মিথ্যার বেসাতিপূর্ণ এই নিউজে কতিপয় জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তি ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টকারী পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে একজন উদীয়মান যুবনেতাকে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। এমনকি সংবাদে যাদেরকে প্রতিপক্ষ করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যম তাদের সাথে কোন কথা না বলে কিংবা তাদের কোন বক্তব্য না নিয়ে এধরনের খবর প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নিয়ম পরিপন্থী বলেই আমরা জানি। প্রকৃতপক্ষে সেদিন এই ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি, থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছিলো সারাদেশের সাথে মিল রেখে সহনীয় মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করার জন্য। বাজারের ব্যবসায়ীরাও তা মেনে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেন। হঠাৎ পেঁয়াজের বাজারদর কমে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাগণ পেঁয়াজের দোকানে ভিড় জমায়, এতে করে কয়েকটি দোকানে ভিড় জমে যায়। ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। নিউজে যাদের উদ্ধৃতি দিয়ে যুবলীগ নেতাকে জড়িত উল্লেখ করা হয়েছে সেই ব্যবসায়ী ধীরেন্দ্র দেবনাথ ও লক্ষী কান্ত রায় ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, জুয়েল মিয়া তাদের দোকানেই যাননি। নিউজে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে তার নাম আনা হয়েছে। আমরা দিরাই উপজেলা ও পৌর যুবলীগ এই ঘৃণ্য অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি। বিবৃতি দাতারা হলেন, উপজেলা যুবলীগ নেতা ফারুক আহমেদ সরদার, পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা যুবলীগ নেতা বিশ্বজিৎ রায়, পৌর কাউন্সিলর সবুজ মিয়া, লালন মিয়া, কলিম উদ্দিন, শফিক মিয়া, কামরুজ্জামান, অনুপম রায়, পৌর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সারোয়ার আহমদ, সহসভাপতি রাহাত মিয়া রাহাত, মুর্শেদুর রহমান আঙ্গুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোয়েব আহমেদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, যুবলীগ নেতা বেলাল মিয়া, ফরহাদ করিম, কোহিনুর মিয়া, রাহিনুর রহমান, রানু দাস, মিটু দাস। বিজ্ঞপ্তি