দিরাই শাল্লার মানুষের পাশে ছিলাম আছি থাকবো- মুকুট

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুট বলেন, ২১ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে বারুদ আর রক্তমাখা বিভীষিকাময় রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞের দিন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের এই দিনে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রযন্ত্রের পৃষ্ঠপোষকতায় করা ওই হামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও প্রাণ হারান দলের ২৪ নেতাকর্মী। পঙ্গুত্ববরণ করতে হয় অনেককে। ঘাতকচক্রের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে রুখে দেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই নারকীয় কর্মকাণ্ড রুখে দিয়ে দেশকে বিশ্বের দরবারে মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। মুকুট বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হলেও ব্যতিক্রম দিরাই শাল্লা। হাওর জনপদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নজর দিলেও শুধুমাত্র যোগ্য পরিচালকের অভাবে তার সুফল দিরাই শাল্লাবাসী পাচ্ছে না। তিনি বলেন, দিরাই শাল্লার মাটি ও মানুষের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা আছে। দিরাই শাল্লাবাসীর পাশে আমি ছিলাম, আছি এবং থাকবো।
রফিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণে ৫ লক্ষ ও বাংলাবাজার মসজিদের সংস্কারে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান বরাদ্দের ঘোষণা দেন নুরুল হুদা মুকুট।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদ ও নিহত শহিদদের স্মরণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে রোববার বেলা ৩টায় রফিনগর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল হুদা মুকুট এসব কথা বলেন।
রফিনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আল মামুনের সভাপতিত্বে ও আওয়ামী লীগ নেতা আলী আহমদ এবং অলিউর রহমানের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম শামীম, অ্যাডভোকেট অবণী মোহন দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শংকর চন্দ্র দাস, সদস্য ও দিরাই উপজেলার চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজাদুল ইসলাম রতন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রফিনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর চৌধুরী, দিরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দিরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশাররফ মিয়া, দিরাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রঞ্জন রায়, যুবলীগ নেতা সৈয়দ তানজিল আহমদ চৌধুরী, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এহসান আহমেদ উজ্জ্বল, দিরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা মতিউর রহমান, আব্দুল হান্নান, রফিনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জাহেদ মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুল ইসলাম আতিক, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপংকর কান্তি দে, সহসভাপতি রাজন, দিরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা রুবেল চৌধুরী, খান মোহাম্মদ জুয়েল, রোমান মিয়াসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।